আমাদের সম্পর্কে

ফ্রেন্ডস ক্লাব ২০২৬ সালে বরগুনা জেলার বেতাগী উপজেলার মোকামিয়া গ্রামে প্রতিষ্ঠিত একটি অলাভজনক সামাজিক সংগঠন। আমরা বিশ্বাস করি যে সমাজের উন্নয়ন তখনই সম্ভব যখন প্রতিটি মানুষ একে অপরের পাশে থাকে। রক্তদান, বৃক্ষরোপণ, শিক্ষা সহায়তা এবং দুর্যোগ মোকাবেলায় আমরা সর্বদা প্রস্তুত।
০১
সংগঠনের সকল সদস্যকে দেশ ও আইন বিরোধী কর্মকান্ড এবং সমাজে বিরাজমান অন্যায়, অবিচার, সন্ত্রাস, অনিয়ম, দুর্নীতি ও মাদক থেকে বিরত থাকতে হইবে।
০২
কেউ কোন নিজ স্বার্থে সংগঠনের নাম ব্যবহার করিতে পারিবে না।
০৩
এই সংগঠনের কোন সদস্য একক মতে কোন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিতে পারিবে না।
০৪
অত্র সংগঠনের সকল সদস্যকে একে অপরের প্রতি সর্বোচ্চ সম্মান ও শ্রদ্ধা প্রদর্শন করিতে হইবে, কাউকে কটাক্ষ বা কটুক্তিমূলক কথা বলা যাবে না।
০৫
এই সংগঠনে দুইটি কমিটি থাকবে (১) উপদেষ্টা কমিটি (২) কার্যনির্বাহী কমিটি, উক্ত কমিটির প্রধানদের সাথে আলোচনা করে সদস্য নিয়োগ দেওয়া হইবে।
০৬
এই ক্লাবের সকলের দেশপ্রেমের মনসিকতা নিয়ে কাজ করিতে হইবে এবং মানব সেবায় মহান উদ্দেশ্য নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে।
০৭
সংগঠনের সকল কমিটির পদ-পদবী সমূহ যোগ্যতা ও পরিশ্রমের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা হবে, নির্দিষ্ট সময়ের পর আলোচনা সাপেক্ষে কমিটি সমূহ নবায়ন করা হবে। প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সার্বক্ষনিক বহাল থাকবে।
০৮
এই সংগঠন একটি অলাভজনক সংগঠন, সংগঠনে দেয়া সকল অর্থ অফেরতযোগ্য এবং দান হিসেবে বিবেচনা করা হইবে।
০৯
সংগঠনে কেউ অর্থ প্রদান করিলে তাকে সম্মানসূচক সার্টিফিকেট দেওয়া হবে।
১০
উক্ত ক্লাবের সদস্য মাসিক চাঁদা সর্বনিন্ম ১০০ টাকা এবং উপদেষ্টামন্ডলীর মাসিক চাঁদা সর্বনিন্ম ১০০০ টাকা যাহা প্রতিমাসের ১ থেকে ১৫ তারিখের মধ্যে নিজ ইচ্ছায় পরিশোধ করাতে হইবে। যদি কেউ এক সাথে দুই মাস চাঁদা দিতে ব্যথ হয় তাকে সদস্য পদ থেকে বাতিল করা হইবে।
১১
কোন সদস্য যদি তার সদস্য পথ স্বেচ্ছায় বাতিল করতে চায় সে ক্ষেত্রে পরিচালনা কমিটিকে অবহিত করে তার সদস্য পদ বাতিল করিতে পারবে এবং তাকে সসম্মানে বিদায় অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিদায় দেয়া হবে।
১২
সংগঠনের অভ্যন্তরীণ বা গোপনীয় কোন তথ্য বাইরে ফাঁস না করা।
১৩
সংগঠনের অনুমতি ছাড়া সংগঠনের নাম বা লগো ব্যবহার করে কোনো ব্যক্তিগত বিবৃতি দেওয়া যাবে না।
১৪
দেশের প্রচলিত আইনের পরিপন্থি কোনো কাজে সংগঠনের নাম জড়িয়ে কোন কার্যক্রম পরিচালনা করা যাবে না।
১৫
সংগঠনের কোনো ভালো কাজের কৃতিত্ব একা না নিয়ে পুরো সংগঠনের সাফল্য হিসেবে প্রচার করা। ‘আমি নয়,’আমরা’ নীতি অনুসরণ করা।
১৬
সংগঠনের ফেসবুক গ্রুপ বা পেজে কোনো পোস্ট করার আগে মডারেটর বা কমিটির অনুমতি নেওয়া এবং সেখানে কোন ব্যক্তিগত ক্ষোভ বা বিতর্কিত বিষয় শেয়ার না করা।
১৭
কোনো সদস্য বা নেতার কাজে ভুল মনে হলে তা সবার সামনে চিৎকার করে না বলে সংগঠনের মিটিংয়ে বা ব্যক্তিগতভাবে বিনয়ের সাথে জানানো।
০১
উক্ত ক্লাবের কোন সদস্য অসুস্থ হইলে ক্লাব কর্তৃপক্ষ তার খোঁজখবর নিবেন এবং আর্থিক সহযোগিতা প্রয়োজন হইলে তদন্ত কমটিরি মাধ্যমে আলোচনা সাপেক্ষে একটা অংশ প্রধান করিবে।
০২
উক্ত ক্লাবের কোন সদস্য মৃত্যুবরণ করিলে তার দাফন কাফনের সকল ব্যবস্থা ক্লাব কর্তৃপক্ষ বহন করিবে এবং তার পরিবারকে ১০০০০ টাকা প্রদান করিবে।
০৩
সমাজের দারিদ্র ও অসহায় মানুষের সহযোগিতা করা এবং মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষা উপকরণ প্রদান করা।
০৪
যে কোন দুযোগে সকলের পাশে দাঁড়ানো একং ক্লাবের সমর্থ্য অনুযায়ী সহায়তা প্রদান করা হইবে।
০৫
স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি গ্রহণ করা হইবে।
০৬
অন্যায় অপরাধ ও মাদক নির্মূলে কাউন্সিলিং প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হইবে।
০৭
সুস্থ বিনোদন ও শারীরিক এবং মানসিক বিকাশের জন্য বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও কার্যক্রম আয়োজন করা হইবে।
০৮
বিভিন্ন ধর্ম ও বর্ণের মানুষের মধ্যে ঐক্য ১৪ শান্তি বজায় রাখার জন্য কাজ করা।
০৯
স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কাজের খোঁজখবর রাখা এবং এলাকার উন্নয়নে সাধারণ মানুষের দাবিগুলো তুলে ধরা।
১০
গ্রামগঞ্জে সভা-সেমিনার করে যৌতুকের কুফল এবং বাল্যবিবাহের আইনি ও স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করা। সমাজ থেকে যৌতুক প্রথা, নারী নির্যাতন এবং বিভিন্ন সেকেলে কুসংস্কার দূর করতে প্রচার চালানো।
১১
ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের বা অভাবী মানুষকে সুদমুক্ত ঋণের ব্যবস্থা করে দিয়ে মহাজনী ঋণের অভিশাপ থেকে মুক্তি দেওয়া।
১২
প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে এলাকায় বড় পরিসরে বৃক্ষ মেলার আয়োজন করা এবং সাধারণ মানুষের মাঝে ফলজ ও ঔষধি চারা বিতরণ করা।
১৩
সংগঠনের মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট স্থানে ‘মানবতার দেয়াল’ তৈরী করা, যেখানে বিত্তবানরা তাদের অপ্রয়োজ-নীয় কাপড় বা জিনিস রেখে যাবেন এবং অভাবীরা সেখান থেকে সংগ্রহ করবেন।
১৪
কিশোরদের আড্ডার বদলে খেলাধুলা, পাঠাগার বা সৃজনশীল কাজে ব্যস্ত রেখে অপরাধমূলক কর্মকান্ড থেকে দূরে রাখা।